অর্থ ও বাণিজ্য

শনিবার | ২২ জুলাই, ২০১৭ | ৭ শ্রাবণ, ১৪২৪ | ২৭ শাওয়াল, ১৪৩৮

প্রচ্ছদ » অর্থ ও বাণিজ্য » টানা ১১ মাস পর পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত

টানা ১১ মাস পর পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত

টানা ১১ মাস পর পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত

টানা ১১ মাস লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর অবশেষে দেশের পণ্য রপ্তানি আয়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। চলতি ২০১৩-১৪ অর্থবছরের প্রথম মাসে অর্থাৎ জুলাইয়ে পণ্য রপ্তানিতে লক্ষ্যমাত্রা শুধু অর্জিতই হয়নি, একই সঙ্গে রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ২৪ শতাংশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ তথ্যমতে, জুলাই মাসে ২৬৯ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয়েছে ৩০২ কোটি ডলার। এটি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেশি।

আলোচ্য সময়ে নিট ও ওভেন পোশাক রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় দেশের সামগ্রিক রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। মোট ৩০২ কোটি ডলারের মধ্যে ২৫১ কোটি ডলারের রপ্তানি আয় এসেছে এই দুই খাত থেকে।

এ ছাড়া হিমায়িত খাদ্য, চামড়াজাত পণ্য, হস্তজাত পণ্য ও পাদুকা রপ্তানিতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।

চলতি অর্থবছরের জন্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তিন হাজার ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে নিট ও ওভেন পোশাক খাতের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ১৫৭ কোটি ও এক হাজার ২৫৭ কোটি ডলার। এ ছাড়া পাট ও পাটজাত পণ্যের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১১ কোটি ৩৪ লাখ ডলার।

এদিকে বিদায়ী ২০১২-১৩ অর্থবছরের দুই হাজার ৮০০ কোটি ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয় দুই হাজার ৭০১ কোটি ডলার। বছর শেষে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয় ১১ দশমিক ১৮ শতাংশ।

ইপিবির তথ্যমতে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে রপ্তানি আয়ের শীর্ষে রয়েছে ওভেন পোশাক খাত। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নিট পোশাক খাত।ওভেন ও নিট পোশাক খাত থেকে যথাক্রমে ১২৬ ও ১২৫ কোটি ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে। ওভেনে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৭ এবং নিটে ২৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে ১০ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আট কোটি ডলার আয় হয়। এর মধ্যে কাঁচা পাট, পাটের সুতা এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানি থেকে যথাক্রমে ৭৮ লাখ, চার কোটি ৬৯ লাখ ও দুই কোটি ডলার আয় হয়।

এ ছাড়া পাঁচ কোটি ডলারের কৃষিজাত পণ্য, তিন কোটি ৯৪ লাখ ডলারের চামড়া, এক কোটি ৪৫ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য, পাঁচ কোটি ৬৫ লাখ ডলারের চিংড়ি, ছয় কোটি ৮১ লাখ ডলারের হোমটেক্সটাইল ও পাঁচ কোটি ৬৩ লাখ ডলারের পাদুকা রপ্তানি হয়েছে।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। আবশ্যিক *

*


3 − = 1

আপনি চাইলে এই এইচটিএমএল ট্যাগগুলোও ব্যবহার করতে পারেন: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>