অপরাধ

শুক্রবার | ২০ অক্টোবর, ২০১৭ | ৫ কার্তিক, ১৪২৪ | ২৮ মহররম, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » খবর » অপরাধ » খাদ্যের ভেজালে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদন্ড ১০ লাখ টাকা জরিমানা

খাদ্যের ভেজালে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদন্ড ১০ লাখ টাকা জরিমানা

খাদ্যের ভেজালে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদন্ড ১০ লাখ টাকা জরিমানা

খাদ্যে রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রণসহ ভেজাল প্রতিরোধে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন বিধানের প্রস্তাব করে ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’ বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। বিলে খাদ্যে ভেজালের জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদন্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার জাতীয় সংসদের ১৯তম অধিবেশনে খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বিলটি উত্থাপন করেন।

এছাড়া ‘মাল্টি লেভেল মার্কেটিং কার্যক্রম (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩’ ও বাংলাদেশ বিজ্ঞাপন ও শিল্প গবেষণা পরিষদ আইন, ২০১৩ নামে আরো দুটি বিল সংসদে উত্থাপিত হয়। বিল দুটি উত্থাপন করেন যথাক্রমে বাণিজ্যমন্ত্রী গোলাম মোহাম্মদ কাদের ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।

নিরাপদ খাদ্য আইন :  খাদ্য নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন- ‘পিউর ফুড অর্ডিন্যান্স, ১৯৫৯’ রহিত করে প্রস্তাবিত ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’ বিলটি আনা হয়। এতে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা পরিষদ গঠন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা এবং কেন্দ্রীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। আইনে উৎপাদনকারী, মোড়ককারী, বিতরণকারী, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের দায়বদ্ধতা এবং অপরাধ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। এ আইনের অধীনে মামলা দায়ের করে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদন্ড/অর্থদন্ড প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

আইনে খাদ্যে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর অথবা বিষক্রিয়া সৃষ্টিকারী রাসায়নিক দ্রব্য বা তার উপাদান বা বস্তু যেমন ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ফরমালিন, সোডিয়াম সাইক্লামেট, কীটনাশক বা বালাইনাশক, সুগন্ধি ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য বা খাদ্যোপকরণে ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এসবের অমান্যকারীকে সর্বোচ্চ ৫ বছরের এবং অনুন্যন ৪ বছরের কারাদন্ড বা অনূর্ধ্ব ১০ লাখ টাকা অন্যূন ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড  বা উভয়দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আইনে এ ধরনের অনান্য অপরাধের জন্য আলাদা শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ১৩ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে  বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে এবং এসব অপরাধকে জামিন অযোগ্য করা হয়েছে।

মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কার্যক্রম (নিয়ন্ত্রণ) : বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, সাধারণ জনগণকে প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা এবং এমএলএম কোম্পানিসমূহের কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য একটি আইনি কাঠামোর আওতায় এনে এদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও তদারকের লক্ষ্যে আইনটি প্রণয়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলে আইন লঙ্ঘনকারীকে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা ও ১০ বছরের কারাদন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এ আইনের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারিকৃত অধ্যাদেশ রহিত হবে মর্মে বিলে উল্লেখ আছে।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য করুন