প্রধান খবর

বুধবার | ১৮ অক্টোবর, ২০১৭ | ৩ কার্তিক, ১৪২৪ | ২৭ মহররম, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » প্রধান খবর » ঈদ এবং পূজায় রাজধানীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার

ঈদ এবং পূজায় রাজধানীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার

ঈদ এবং পূজায় রাজধানীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (‘ঈদ-পূজায় ডিএমপি) কমিশনার বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ঈদ এবং পূজায় রাজধানীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিশেষ করে পশুরহাট ও পূজা মন্ডবগুলোতে কঠোর নজরদারী থাকবে। তিনি বলেন, রাজধানীতে সম্পতি ঘটে যাওয়া কয়েকটি আলোচিত হত্যাকান্ড নিয়ে হা-হুতাশ বা ভেঙে পড়ার কিছু নেই। এমন ঘটনা সামনে আর যাতে না ঘটে সে দিকে লক্ষ্য রাখা হবে।

বুধবার দুপুরে মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে ঈদুল আযহা ও শারদীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।

পুলিশ কর্মকর্তাসহ বাড়ির বেড রুমে ঢুকে হত্যার বিষয়ে কমিশনার বলেন, মিরপুরসহ রাজধানীর আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। এ ধরনের অপরাধের রহস্য উদ্ঘাটন হয়েছে। তবে সব রহস্য যে দ্রুত উদ্ঘাটন সম্ভব হবে এমন ভাবা  ঠিক না। প্রত্যেকেই আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। এ ধরনের ঘটনা যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে বিষয়টি পুলিশের নজরে আছে।

নিরাপত্তার বিষয়ে কমিশনার বলেন, একই সময়ে ঈদুল আযহা ও শারদীয় দুর্গা উৎসব শুরু হওয়ার এটা পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তাই রাজধানীজুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ৪ অক্টোবর থেকে ঈদ পরবর্তী সময় পর্যন্ত এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর বছর রাজধানীতে ২০৬টি স্থানে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেকটি পূজামন্ডবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রত্যেক মন্ডবে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য অনুরোধ জানান কমিশনার।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি সামপ্রদায়িক সম্প্রতির দেশ। এখানে ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। তাই পূজামন্ডবে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে অন্যান্য ধর্মের লোকজন আসবে। তাই পূজামন্ডপের আয়োজকদের নারী-পুরুষের জন্য আলাদা ব্যবস্থার রাখার কথা বলা হয়েছে। নারীদের যাতে কেউ উত্ত্যক্ত করতে না পারে সে জন্য পূজা আয়োজকদের আলাদা বলান্টিয়ার রাখার কথা বলেছি। এ ছাড়া আমাদের নিজস্ব ব্যবস্থা থাকবে।

প্রতিমা বিসর্জনের ব্যাপারে কমিশনার সূর্যাস্তের আগেই প্রতিমা বিসর্জন এবং নির্ধারিত রুট ফলো করার অনুরোধ করেছেন।

কমিশনার বলেন, ঢাকা শহরে এ বছর মোট ২৫টি গরুর হাট বসবে। সুতরাং কেউ অবৈধ গরুর হাট বসানো চেষ্টা করবেন না। যদি অবৈধ হাট বসানো হয় তাহলে সিটি করপোরেশনের লোকজন নিয়ে তাদের উচ্ছেদ করা হবে।

তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগে গরুর হাট বসানো যাবে না এবং নির্ধারিত সময়ের আগে ইজারাদারা গরুর ট্রাক নিয়ে ঢাকায় আসবেন না।

চামড়ার ব্যাপারে কমিশনার বলেন, জোর করে যাতে কেউ চামড়া না কিনতে পারে এবং চামড়া যাতে পাচার না হয় সেজন্য ঈদের পর থেকে ৭ দিন পর্যন্ত কোনো চামড়ার ট্রাক রাজধানীর বাইরে যেতে দেয়া হবে না। ঢাকার বাইরে থেকে চামড়ার ট্রাক আসতে পারবে।

গরুর হাটে জাল নোট প্রতিরোধ, অজ্ঞানপার্টি, মলম পার্টির ও ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য প্রতিরোধে পুলিশ তৎপর থাকবে বলে জানান কমিশনার।

এ সময় মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য করুন