ক্রিকেট

সোমবার | ২০ নভেম্বর, ২০১৭ | ৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ | ২৯ সফর, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » খেলাধুলা » আন্তর্জাতিক » ক্রিকেট » অল্পের জন্য শতক বঞ্চিত তামিম

অল্পের জন্য শতক বঞ্চিত তামিম

অল্পের জন্য শতক বঞ্চিত তামিম

বারবার জীবন পেয়েও শতক করতে পারলেন না তামিম ইকবাল। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন বাজে শট খেলে ৯৫ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন এই বাঁহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।

১৫৩  বলে তামিরের এই ইনিংসে  ছিল ১৭টি অনবদ্য চারের মার।

নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে এটি তামিমের সর্বোচ্চ রান। ২০০৮ সালে অভিষেকে দ্বিতীয় ইনিংসের  এতো দিন ৮৪ ছিল তার সর্বোচ্চ রান।

তবে একটুর জন্য শতক না পাওয়ার জন্য নিজেকে ছাড়া আর কাউকে দায়ী করতে পারবেন না তামিম। ওয়াগনারের আগের বলেই চার মেরে ৯৫ রানে পৌঁছেছিলেন তিনি। ঠিক এর পরের বলটি স্লিপের উপর দিয়ে সীমানায় যেভাবে বলটি পাঠানোর চেষ্টা করলেন তা কেবল টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই মানায়; ফল গালিতে ক্যাচ, যা আগের দুইবারের মতো আর ফসকায়নি।

ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই কিন্তু জীবন ফিরে পেয়েছিলেন তামিম। ডানহাতি পেসার ডগ ব্রেসওয়েলের বলে উইকেটরক্ষক বিজে ওয়াটলিংয়ের হাতে ক্যাচ দেয়ার সময় ৫ রানে ব্যাট করছিলেন তিনি।

পরের ওভারে ফিরে আবার তামিমকে পরাস্ত করেন ব্রেসওয়েল। এবার দ্বিতীয় স্লিপে নিউ জিল্যান্ডের অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ক্যাচ ফেলে দেয়ায় জীবন পান ১০ রানে ব্যাট করা তামিম।

৮২ রানে আবার বেঁচে যান তামিম। এবারো বোলার ব্রেসওয়েল। প্রথম স্লিপে কোনো ফিল্ডার না থাকায় চার পেয়ে যান তিনি।

অবশেষে ৫১ তম ওভারে  বাজে শটে সাজঘরে ফিরলেন মারমুখী এই ব্যাটসম্যান।

চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে দুবার জীবন পেয়েও অর্ধশতক পাননি তামিম। এবার ৭৬ বলে ৯টি চারের সাহায্যে অর্ধশতকে পৌঁছান তামিম। এটা এই মাঠে পঞ্চম অর্ধশতক।

কিন্তু তিন বছরের বেশি সময়ের শতকের খরা কাটাতে পারলেন না তামিম ইকবাল। ২০১০ সালের মে, জুনে ইংল্যান্ড সফরে লর্ডস ও ম্যানচেস্টার টানা দুই ম্যাচে শতক হাঁকানোর পর ২২ ইনিংস ধরে আর  শতকে  পৌঁছাতে পারেননি তামিম।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য করুন