শীর্ষ খবর

সোমবার | ২০ নভেম্বর, ২০১৭ | ৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ | ২৯ সফর, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » শীর্ষ খবর » অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা দিলেন বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা দিলেন বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা দিলেন বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া

সোমবার বিকালে রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ রূপরেখা তুলে ধরেন।

বেগম জিয়া বলেন, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে দুটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই দুটি সরকারের উপদেষ্টারা তাদের নিরপেক্ষতার জন্য সব মহলে প্রশংসিত হয়েছিলেন। নির্বাচনে একবার আওয়ামী লীগ ও একবার বিএনপি বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে।

আমি প্রস্তাব করছি- ওই দুই সরকারের ২০ জন উপদেষ্টার মধ্য থেকে সরকারি দল ৫ জন এবং বিরোধী দল ৫ জন সদস্যের নাম প্রস্তাব করবেন। তারাই আসন্ন নির্বাচনকালীন সরকারের উপদেষ্টা হবেন। সরকারি ও বিরোধী দলের ঐক্যমতে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একজন সম্মানিত নাগরিককে এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীকে গণতন্ত্রের স্বার্থে এ প্রস্তাব গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আমি আশা করি- তিনি এ ব্যাপারে দুই পক্ষের মধ্যে দ্রুত আলোচনার কার্যকর উদ্যোগ নেবেন।

বেগম জিয়া বলেন, আমি আশা করি- বিপর্যয় মোকাবিলায় সক্ষম এ জাতি অচিরেই এই রাজনৈতিক সংকট থেকে মুক্তি পাবে। সে লক্ষ্যেই আমি এ প্রস্তাব তুলে ধরলাম।

খালেদা জিয়া বলেন, আমরা সংঘাত নয়- সমঝোতা চাই। স্বৈরশাসন নয়, গণতন্ত্র চাই। আমরা লগি-বৈঠার তান্ডব, গান পাউডার দিয়ে পুড়িয়ে বাসযাত্রী হত্যা, অফিসগামীদের দিগম্বর করার কুসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।

প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকারের যে অস্পষ্ট ধারণা তিনি তুলে ধরেছেন, তাতে সরকার প্রধান কে হবেন- তা খোলাসা করা হয়নি। এতে নাগরিকদের মধ্যে সংশয় রয়ে গেছে। তিনি সংসদ বহাল ও নিজের হাতে ক্ষমতা ও প্রশাসন রেখে বিরোধী দলকে এক অসম প্রতিযোগিতায় আহ্বান জানাচ্ছেন। এটি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ও সচেতন দেশবাসীকে হতাশ করেছে উল্লেখ করে বেগম জিয়া বলেন, ইতোমধ্যে ব্যক্ত প্রতিক্রিয়া থেকে তা পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে তার সরকারের উন্নয়নের যে ফিরিস্তি দেয়া হয়েছে- আমি সে সম্পর্কে মন্তব্য করবো না। কোন সরকারের আমলে দেশ কতটা এগিয়েছে ও পিছিয়েছে- তা দেশবাসী ভালো করেই জানেন। কতটা শান্তিতে, স্বস্তিতে, নিরাপত্তায় তারা আছেন, উন্নতির ফল তারা কতোটা ভোগ করছেন; তা জনগণ তাদের নিত্যদিনের জীবনযাপন ও অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুঝতে পারেন। তবে তিনি তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে অতীতে ফিরে গিয়ে আমাদের সরকারের আমল নিয়ে অসত্য বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন।

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিস্তারে প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,  সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিস্তার আওয়ামী লীগের বিগত সরকারের আমলেই ঘটেছিল। যশোরে উদীচীর গানের আসরে, রমনার বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে, পল্টনে সিপিবির জনসভাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সমাবেশে এবং খুলনায় আহমদিয়া সম্প্রদায়ের উপাসনালয়ে, বানিয়ারচরে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের গির্জায় জঙ্গি ও সন্ত্রাসী হামলায় বহু নিরাপরাধ মানুষ জীবন দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নিজের জেলা গোপালগঞ্জে বিশাল আকৃতির শক্তিশালী বোমা পাওয়ার ঘটনা তার আমলেই ঘটেছিল। কোনো ঘটনারই সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হয়নি।

খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে সৃষ্ট এ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস আমাদের সরকারের আমলেও অব্যাহত ছিল। তবে আমরা জঙ্গিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হই। তাদের সংগঠন ও তৎপরতা নিষিদ্ধ করি। শীর্ষ জঙ্গি নেতাদের গ্রেফতার ও তাদের বিচারের ব্যবস্থা করি। আমাদের সরকারের আমলেই শীর্ষ জঙ্গিদের বিচারে মৃত্যুদ- হয়। পরে তা কার্যকর করা হয়েছে। আমাদের সর্বাত্মক প্রয়াসে জঙ্গিবাদের নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ ভেঙ্গে দেয়া সম্ভব হয়।

তিনি বলেন, আমরা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) গঠন করি। এ বাহিনী ব্যাপক সাফল্য ও সুনাম অর্জন করে। র‌্যাবকে আমরা কখনো বিরোধী দলের কর্মসূচি দমনের কাজে অথবা অন্য কোনো রাজনৈতিক বা দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করিনি।

তিনি বলেন, আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই- সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী আন্তর্জাতিক লড়াইয়ে বাংলাদেশ এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। আমাদের সরকারের আমলে আমরাই এর সূচনা করেছি। আগামীতে এ লড়াই কেবল অব্যাহতই থাকবে না, বরং সন্ত্রাসবিরোধী আন্তর্জাতিক কোয়ালিশনের সক্রিয় সদস্য হিসেবে অন্যান্য দেশ ও সংস্থার সঙ্গে মিলে এ সহযোগিতা আরো বাড়ানোর উদ্যোগ আমরা নেবো।

খালেদা জিয়া বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ আমাদের জাতীয় স্বার্থকে বিপন্ন করে, আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্ম পবিত্র ইসলাম ও মুসলমানদের সুনাম ক্ষুন্ন করে। আন্তঃদেশীয় এ অপরাধ বাংলাদেশে শুধু নয়, বিশ্বের নাগরিকদের জীবনমানকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়। বাংলাদেশের মাটিকে দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অথবা অন্য কোনো ধরনের সন্ত্রাসী তৎপরতায় কখনো ব্যবহার করতে না দেয়ার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণে আমরা দৃঢ় অঙ্গীকারাবদ্ধ।

আমি মনে করি, কোনো সমস্যাই সমাধানের অযোগ্য নয়। পারস্পরিক স্বার্থ ও মর্যাদা বজায় রেখে আন্তরিক সংলাপ ও অব্যাহত মতবিনিময়ের মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যকার বিরাজমান সমস্যাবলি আমরা নিরসন করতে পারি। আমরা আগামীতে সরকারে যেতে পারলে কোনো দলের সরকার হওয়ার বদলে জনগণের সত্যিকারের প্রতিনিধি হবো বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন খালেদা জিয়া।

তিনি বলেন, আমরা পশ্চাদমুখী হবো না। আমাদের দৃষ্টি হবে সম্মুখপ্রসারী। আমরা এমন সব নীতিমালা গ্রহণ করবো যাতে সমাজের সব স্তরে ও খাতে টেকসই উন্নয়ন ঘটতে পারে। আজকের দুনিয়া একটি বিশ্বসমাজে পরিণত হয়েছে। কোনো দেশ ও অঞ্চলই এখন আর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হয়ে থাকতে পারে না। তাই আমাদের বিশ্বসমাজের শরিক হিসেবে ভূমিকা ও অবদান রাখতে হবে। বাংলাদেশ অস্থিতিশীল হলে দক্ষিণ এশিয়া অস্থিতিশীল হবে। আর দক্ষিণ এশিয়া অস্থিতিশীল হলে বিশ্বসমাজে তার প্রভাব পড়বে। সে কারণেই শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ এক বিশ্বসমাজ গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ও আমাদের প্রতিবেশী সব দেশ যাতে ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে। তিনি বলেন, আগামীতে ১৮ দলীয় জোট সরকারে গেলে সেভাবেই কাজ করবে।

খালেদা জিয়া বলেন, মানুষ ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে নয়। একথা স্বীকার করতে আমার কোনো দ্বিধা নেই- অতীতে আমাদেরও ভুল-ভ্রান্তি হয়েছে। তবে একই সঙ্গে আমি বলতে চাই, আমরা ওইসব ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছি। আমি সেই প্রবচনের সঙ্গে একমত- ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নিলে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে। তাই আমরা অতীতের ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি করবো না।

প্রধানমন্ত্রীর স্বভাবসুলভ সমালোচনার বিষয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণেও আমার, আমার সরকার, দল, পরিবার ও রাজনৈতিক কার্যালয় সম্পর্কে অনেক কুৎসা রটিয়েছেন। আমি এর পাল্টা বক্তব্য দিতে চাই না। প্রধানমন্ত্রী, তার পরিবারের সদস্যবর্গ ও আত্মীয়স্বজন সম্পর্কে বিস্তর অভিযোগ ও তথ্য থাকা সত্ত্বেও আমি এ নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না। অনেক হয়েছে। বাংলাদেশের সুরুচিবান মানুষ আর এসব শুনতে চান না।

তিনি বলেন, পরিবর্তনের কথা কেবল মুখে বলাই যথেষ্ট নয়। কেননা এদেশের জনগণ অতীতেও পরিবর্তনের অঙ্গীকার রাজনীতিকদের কণ্ঠে শুনেছে। সে কারণে আজ আমি আপনাদের মাধ্যমে খুব স্পষ্ট করে একটি কথা বলে এ পরিবর্তনের সূত্রপাত ঘটাতে চাই।

খালেদা জিয়া দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন, যারা আমার এবং আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অতীতে নানা রকম অন্যায়-অবিচার করেছে, ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছে এবং এখনো করে চলছে, আমি তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি। সরকারে গেলেও আমরা তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিশোধ নেবো না।

তিনি বলেন, আমি কথা দিচ্ছি- আমার দৃষ্টি নিবন্ধ থাকবে বাংলাদেশের জন্য একটি উজ্জ্বল ও অধিক নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার কাজে। প্রতিশোধ নেয়ার, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার মতো কোনো ইচ্ছা ও সময় আমার নেই। আমি প্রতিশোধ-প্রতিহিংসা মেটাবার জন্য কোনো সময় ব্যয় করবো না।

বেগম জিয়া বলেন, আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবেই। বিতর্কের মধ্য দিয়ে আমরা মতৈক্যে পৌঁছাবার চেষ্টা করবো। কিন্তু সে বিতর্কে অনেক সময় শোভনীয়তার সীমা ছাড়িয়ে যায়। পারস্পরিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করে। এ ধারার পরিবর্তন করতে হবে। রাজনীতির পরিভাষা শোভন, মার্জিত ও যুক্তিযুক্ত হতে হবে।

বর্তমান সময়কে ক্রান্তিকাল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজ এমন এক সময়, যখন আমাদের ঠিক করতে হবে- আমরা গণতন্ত্র না স্বৈরশাসনকে বেছে নেবো। গত কয়েক বছরে একের পর এক ঘটে গেছে নানান মর্মান্তিক ঘটনা। রানা প্লাজা ধসে হাজারের বেশি শ্রমজীবী মানুষের করুণ মৃত্যু হয়েছে। শেয়ারবাজারের নিষ্ঠুর লুণ্ঠনে ৩৩ লাখ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী পথে বসেছে। হলমার্ক, ডেসটিনি, ব্যাংকের তহবিল তসরুপ, পদ্মা সেতু কেলেঙ্কারির মতো ঘটনা কেবল কল্পনাতীত দুর্নীতিরই চিত্র নয়, বিশ্বে আমাদের নানাভাবে কলঙ্কিত করেছে।

দেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংক দখলের চেষ্টা এবং নোবেল লরিয়েট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তা, সম্মানিত নাগরিকদের অসম্মান, মানবাধিকার কর্মী আদিলুর রহমান খান ও সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানের ওপর নির্যাতনের ঘটনা সমাজের শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিদের আতঙ্কিত করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

১৮ দলীয় জোট নেত্রী বলেন, ঢাকায় হেফাজতের সমাবেশে নিষ্ঠুর আক্রমণ, পিলখানা হত্যাযজ্ঞ, বিচারবহির্ভূত অবাধ হত্যাকান্ড, ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম , শ্রমিক নেতা আমিনুলসহ বহু রাজনৈতিক নেতাকর্মীর গুম, খুন জনজীবনকে আতঙ্কিত করে তুলেছে।

তিনি বলেন, বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ ও নগ্ন দলীয়করণে মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি, নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান বাবু হত্যাকারীরা বিচারের আওতায় আসেনি। ক্ষমতাসীনরা দ্রুত পেয়ে যান তাদের কাঙিক্ষত রায়। খুনের মামলার আসামিরা মুক্তি পায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমায়।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আগামীতে আমাদের সরকার হবে বাংলাদেশের সব নাগরিকের প্রতিনিধিত্বকারী সরকার। আমাদের সরকার হবে মেধা ও মননশীলতার সরকার। জাতীয় ঐক্যের সরকার। যারা সমাজের জন্য অবদান রাখতে পারেন, যারা দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনেন, যারা সৎ-যোগ্য-দক্ষ, যারা সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে পারেন, যারা নেতৃত্ব দিতে পারেন, রাজনৈতিক মত-ধর্ম-নৃতাত্ত্বিক পরিচয় নির্বিশেষে সেসব মেধাবী ও যোগ্য নাগরিকদের আমি আগামী দিনের জাতীয় ঐক্যের সরকারের সঙ্গে কাজ করার আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড আর এ গনি, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্রি. জে. (অব.) হান্নান শাহ, এম কে আনোয়ার, মির্জা আব্বাস, মঈন খান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান,  ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আবদুল্লাহ আল-নোমান, বেগম সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী, এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, সাবিহউদ্দিন আহমেদ, এমএ হালিম, মে. জে. রুহুল আলম চৌধুরী, এডভোকেট আহমদ আজম খান, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি, আবুল খায়ের ভূঁইয়া এমপি, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির নাজির আহমেদ, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ইসলামী ঐক্যজোট নেতা আবদুল লতিফ নেজামী, বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির আহ্বায়ক সাংবাদিক শফিক রেহমান, সদস্য সচিব মুশফিকুল ফজল আনসারী প্রমুখ।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য করুন