ক্রিকেট

সোমবার | ২০ নভেম্বর, ২০১৭ | ৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ | ২৯ সফর, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » খেলাধুলা » আন্তর্জাতিক » ক্রিকেট » ইডেনকে বিদায় জানালেন শচীন

ইডেনকে বিদায় জানালেন শচীন

ইডেনকে বিদায় জানালেন শচীন

ক্লাব হাউসের চাতালে সেই কাট আউটগুলো আগের মতোই।  নানা ভাবে শচীন।  নানা ভঙ্গিমায়।  টেস্টের সাদা পোশাকে।  ওয়ান ডে’র রঙিন জার্সিতে।  চারপাশে আরও ছবি। অদ্ভুত বিষণ্ণতা।  বিসর্জনের মঞ্চ থেকে এখনই বুঝি বেজে উঠবে মান্না দের গান– ….. দেখি, মুকুটটা তো পড়ে আছে, রাজাই শুধু নেই!

বিদায়ী সিরিজ ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পর, শচীন তেণ্ডুলকরই ফোন করেছিলেন জগমোহন ডালমিয়াকে।  ‘আমার ১৯৯তম টেস্টটা ইডেনে খেলতে চাই। ’ এই এক ফোনে আপ্লুত সিএবি কর্তারা।  তখনই ঠিক হয়ে যায়, এই সম্মান মাস্টারকে ফিরিয়ে দিতে হবে।  জান বাজি রেখে।

ভর বিকেলে জয়ের আনন্দ হঠাৎ উড়ে গেল শচীনকে দেখে।  ইডেন জুড়ে তখন সবার দমচাপা কষ্ট।  মাঠে দ্রূত তৈরি হয়ে গিয়েছিল সংবর্ধনা মঞ্চ।  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, নগরপাল সুরজিত্‍ করপুরকায়স্হ এবং জগমোহন ডালমিয়াসহ সিএবি কর্তারা।  রবি শাস্ত্রী মাইক ধরতেই শেষের কাউণ্ট ডাউন শুরু।  তাহলে আর মাত্র কয়েকটি মুহূর্ত।

হাসতে হাসতে বেরিয়ে এসেছিলেন ড্রেসিংরুম থেকে। কিন্ত্ত নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন কই। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় যখন মাথায় পাগড়ি পরিয়ে দিলেন, জড়িয়ে ধরলেন তাঁকে।  নাকি আঁকড়ে ধরলেন বন্ধু ও একসময়ের সতীর্থকে।  কাছেই থাকা লোকজনদের কাছে জানা গেল, ওই মুহূর্তে আবেগে বেসামাল হয়ে পড়েছিলেন শচীন।   দু’জনের এত  স্মৃতি।  এমনই তো হওয়ার ছিল।

দুপুরের ঘটনা। শচীন বসেছিলেন ড্রেসিংরুমের বাইরে, বারান্দায়।  সৌরভ মাঠে ম্যাচ বিশ্লেষণ করে ফিরে আসছিলেন উপরে।  তাঁকে দেখে শচীন বলে ওঠেন, ‘‘দাদা-দাদা।  কলকাতা শুধু তোরই শহর!” সৌরভ থমকে গেলেন।  তারপর হেসে জবাব,‘‘একটু বাইরে বেরোলে টের পাবি, আমি নয়, কলকাতা এখন শচীন তেণ্ডুলকারের।”

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য করুন