21 Feb 2018
এই মুহূর্তে

মঙ্গলবার | ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ | ৮ ফাল্গুন, ১৪২৪ | ২ জমাদিউস-সানি, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » এই মুহূর্তে » দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে সই না করতে প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান

দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে সই না করতে প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান

দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে সই না করতে প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান

জাতীয় সংসদে পাস হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধিত) আইনকে  ‘অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক’ উল্লেখ করে তাতে সই না করার জন্য প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

আজ  বেলা  ১১টায় রাজধানীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ও জনমতকে উপেক্ষা করে আইনটি সংসদে পাস করা হয়েছে। এতে দুদক নখ ও দন্তহীন বিড়ালে পরিণত হয়েছে। এতে দেশে দুর্নীতি বৃদ্ধি পাবে।”

সংসদে পাস হওয়া আইনটিতে স্বাক্ষর না করতে গত ১৭ নভেম্বর প্রেসিডেন্টে আবদুল হামিদের কাছে টিআইবি চিঠি দিয়েছে বলে তিনি জানান।

টিআইবির চেয়ারম্যান সুলতানা কামাল বলেন, “অনেকটা চুপিসারে সংসদে আইনটি পাস করা হয়েছে। যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়নি। যাদের কারণে দুর্নীতি হয় তাদের শাস্তির ব্যবস্থা না করার কারণে দুর্নীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে।”

১০ নভেম্বর আলোচিত ‘দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) বিল-২০১৩ জাতীয় সংসদে পাস হয়। এর ফলে কমিশন সরকারের অনুমোদন ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করতে পারবে না। আড়াই বছর পর পাস হওয়া এই বিলে নতুন করে ৩২/ক ধারা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, “জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৭ ধারা আবশ্যিকভাবে পালন করতে হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৭ ধারায় বলা আছে- জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকারি কর্মকর্তা কোনো অভিযোগে অভিযুক্ত হলে সরকারের অনুমোদন ছাড়া কোনো আদালত সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিতে পারবেন না। কোন আদালতে এই মামলার বিচার হবে, তা সরকার নির্ধারণ করে দেবে।”

এ সংক্রান্ত আগের আইনে (৩২ ধারা) সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন কমিশনের একক ক্ষমতা ছিল।

আইনটি পাস করার পর থেকেই এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দুদক, টিআইবি, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সহ (সিপিবি) দেশের সুশীল সমাজ।  এছাড়া, আইন সংশোধনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাপানের রাষ্ট্রদূত শিরো সাদোশিমা ও জার্মান রাষ্ট্রদূত আলব্রেখট কোনসে।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য করুন