বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বৃহস্পতিবার | ২৩ নভেম্বর, ২০১৭ | ৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ | ৩ রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি » শতাব্দীর উজ্জ্বলতম ধুমকেতু হতে পারে ‘আইসন’

শতাব্দীর উজ্জ্বলতম ধুমকেতু হতে পারে ‘আইসন’

শতাব্দীর উজ্জ্বলতম ধুমকেতু হতে পারে ‘আইসন’

শতাব্দীর উজ্জ্বলতম ধুমকেতু হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে আইসন।   ক্রমশ সূর্যের কাছাকাছি আসছে ধুমকেতুটি, আর তাতেই বাড়ছে ঔজ্জ্বল্য। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দাবি, ২৮ নভেম্বর সূর্যের খুব কাছে (প্রায় ৭,২৪০০০ মাইল)-এর মধ্যে প্রবেশ করবে সেটি। সেখানের উচ্চ তাপমাত্রা (প্রায় ২,৭৬০ ডিগ্রিআইসন। সেন্টিগ্রেড) গলিয়ে দেবে আইসনের বরফ আবরণ। এর ফলে উজ্জ্বল পুচ্ছ নিয়ে রাতের আকাশে খালি চোখেই ধরা দেবে শতাব্দীর উজ্জ্বলতম ধুমকেতু।

তবে, আইসনের ঔজ্জ্বল্য নিয়ে এখনই নিশ্চিত নন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। কারণে, সূর্যের খুব কাছে পৌঁছনোর আগেই উচ্চ তাপমাত্রা ও সূর্যের মহাকর্ষ টানের প্রভাবে ধ্বংস হতে পারে সেটি। তবে, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসেব বলছে, সূর্যের কাছে পৌঁছেও বেশ কিছুদিন নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখবে আইসন। দাবি, ডিসেম্বর জুড়ে ভোরের আকাশে দেখা মিলবে আইসনের। আর জানুয়ারীতে রাতের আকাশেই দেখা যাবে উজ্জ্বল পুচ্ছের ধুমকেতুটিকে। আইসনের বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী ছোট টেলিস্কোপ বা বাইনাকুলারে ধরা পড়ছে অস্তিত্ব। প্রথমে ততটা স্পষ্ট না হলেও ধীরে ধীরে ঔজ্জ্বল্য যে বাড়ছে, তা স্বীকার করছেন অনেকেই। এই ধুমকেতুর আবিষ্কর্তা অবশ্য দুই শখের জ্যোতির্বিদ। রাশিয়ার ভিতালি নেভস্কি ও আরটিওম নভিশ্চোনক গত বছর সেপ্টেম্বরে সন্ধান পান এর। নিজেদের টেলিস্কোপের বিন্যাসকে মাথায় রেখেই সেটির নামকরণ করেন ‘ইন্টারন্যাশনাল সায়েন্টিফিক অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক’আইসন।  তাঁদের সাধের আইসন স্বপ্ন পূরণ করে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য করুন