কৃষি

বৃহস্পতিবার | ২৩ নভেম্বর, ২০১৭ | ৯ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ | ৩ রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » খবর » কৃষি » বিরামপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলন

বিরামপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলন

বিরামপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলন

দিনাজপুরের বিরামপুরে সর্বত্র এখন পাকা আমন ধানের মৌ মৌ গন্ধ। শুরু হচ্ছে আগাম আমন ধান কাটা মাড়াইয়ের কাজ।

শেষ পর্যন্ত সকল প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠে চলতি আমন মৌসূমে ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

সরেজমিন বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে, বিরামপুর উপজেলায় কৃষকদের সাথে আলাপকালে তারা আশা প্রকাশ করেন লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও অধিক ফলনের। বিরামপুর উপজেলার দাউদপুর গ্রামের কৃষক আবজাল হোসেন কাজী, মিজানুর রহমান, চন্ডিপুর গ্রামের আ: রহমান, নিয়ামত আলী, বেপারীপাড়াপাড়া গ্রামের রুস্তম আলী, কাটলাপাড় গ্রামের রেজাউল মাষ্টার বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, শেষ পর্যন্ত ফসল ও ফলন ভালই হচ্ছে। বৃষ্টির অভাবে সেচ দিতে হলেও ঘন কুয়াশাও বেশ কাজে লেগেছে। ইতোমধ্যেই আমন ধান কাটা-মাড়াই শুরুও হয়ে গেছে অনেক জায়গায়।

একর  প্রতি  ৪০-৪৫ মন ধান ফলন হবার কথা বলেছেন কৃষকেরা। অন্য বছরের  তুলনায় এ বছর বাজারে ধানের দামও বেশি। প্রতি মণ ধান ৭ শত টাকা থেকে ৭শত ৪০ টাকা দরে বিক্র হচ্ছে। অনেকেই আক্ষেপ করে বলেছেন ‘ধানের বাজার যদি এমন থাকে অন্তত. তাদের উৎপাদন খরচ উঠবে এবং অন্যান্য বছরের ন্যায় লোকসান গুনতে হবে না।

এ ব্যাপারে বিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসার শাহ্‌ আলম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিরামপুর উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়১৬ হাজার ৮শত ২৫হেক্টর। আবাদ হয়েছে ১৭হাজার ২শত ২৫হেক্টর যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশী। তিনি আমনের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

অপর দিকে, অভিজ্ঞ কৃষকরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তণের বিরুপ প্রভাবে ফলন যা পাওয়া যাচ্ছে তা কমই বলতে হবে। নচেৎ আরো বেশী ফলন হতো বলে তারা মন্তব্য করেন। অপর দিকে কিছু কিছু কৃষকের ঘরে নতুন ধান পেয়ে নবান্ন উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। কৃষক-কিষাণিরা হাসি মুখে ধান ঘরে তুলছেন। মোট কথা ভাল ফলন তারা দারুন খুশি।

দিনাজপুরের বিরামপুরে সর্বত্র এখন পাকা আমন ধানের মৌ মৌ গন্ধ। শুরু হচ্ছে আগাম আমন ধান কাটা মাড়াইয়ের কাজ।

শেষ পর্যন্ত সকল প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠে চলতি আমন মৌসূমে ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

সরেজমিন বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে, বিরামপুর উপজেলায় কৃষকদের সাথে আলাপকালে তারা আশা প্রকাশ করেন লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও অধিক ফলনের। বিরামপুর উপজেলার দাউদপুর গ্রামের কৃষক আবজাল হোসেন কাজী, মিজানুর রহমান, চন্ডিপুর গ্রামের আ: রহমান, নিয়ামত আলী, বেপারীপাড়াপাড়া গ্রামের রুস্তম আলী, কাটলাপাড় গ্রামের রেজাউল মাষ্টার বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, শেষ পর্যন্ত ফসল ও ফলন ভালই হচ্ছে। বৃষ্টির অভাবে সেচ দিতে হলেও ঘন কুয়াশাও বেশ কাজে লেগেছে। ইতোমধ্যেই আমন ধান কাটা-মাড়াই শুরুও হয়ে গেছে অনেক জায়গায়।

একর  প্রতি  ৪০-৪৫ মন ধান ফলন হবার কথা বলেছেন কৃষকেরা। অন্য বছরের  তুলনায় এ বছর বাজারে ধানের দামও বেশি। প্রতি মণ ধান ৭ শত টাকা থেকে ৭শত ৪০ টাকা দরে বিক্র হচ্ছে। অনেকেই আক্ষেপ করে বলেছেন ‘ধানের বাজার যদি এমন থাকে অন্তত. তাদের উৎপাদন খরচ উঠবে এবং অন্যান্য বছরের ন্যায় লোকসান গুনতে হবে না।

এ ব্যাপারে বিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসার শাহ্‌ আলম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিরামপুর উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়১৬ হাজার ৮শত ২৫হেক্টর। আবাদ হয়েছে ১৭হাজার ২শত ২৫হেক্টর যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশী। তিনি আমনের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

অপর দিকে, অভিজ্ঞ কৃষকরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তণের বিরুপ প্রভাবে ফলন যা পাওয়া যাচ্ছে তা কমই বলতে হবে। নচেৎ আরো বেশী ফলন হতো বলে তারা মন্তব্য করেন। অপর দিকে কিছু কিছু কৃষকের ঘরে নতুন ধান পেয়ে নবান্ন উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। কৃষক-কিষাণিরা হাসি মুখে ধান ঘরে তুলছেন। মোট কথা ভাল ফলন তারা দারুন খুশি।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য করুন