Azizul Bashar
এই মুহূর্তে

সোমবার | ২০ আগস্ট, ২০১৮ | ৫ ভাদ্র, ১৪২৫ | ৮ জিলহজ্জ, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » এই মুহূর্তে » জলবায়ু সম্মেলনে কার্বন নি:সরণ বন্ধে আরো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন

জলবায়ু সম্মেলনে কার্বন নি:সরণ বন্ধে আরো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন

জলবায়ু সম্মেলনে কার্বন নি:সরণ বন্ধে আরো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন

পোল্যান্ডে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে শেষ মুহূর্তে একটি সমঝোতা হয়েছে। এ সম্মেলনে কার্বন নি:সরণ বন্ধে, আরো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এবং ক্ষতিগ্রস্থ  দেশগুলোকে সাহায্য দিতে একমত হয়েছে উন্নয়নশীল দেশগুলো।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে, ২০১৫ সালের প্যারিস সম্মেলনে, একটি আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরি করা হবে, এই বিষয়ে একমত হয়েছে ধনী আর উন্নয়নশীল দেশের প্রতিনিধিরা।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য দরিদ্র দেশগুলোকে সহায়তা দেয়া, জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে পরবর্তীতে খাপ খাওয়াতে অর্থ সহায়তা দেয়ার বিষয়গুলো নিয়ে দীর্ঘ মতবিরোধের পর এই সমঝোতা হলো।

তবে বাস্তবে এই চুক্তি স্বাক্ষর করতে হলে ২০১৫ সালের মধ্যেই আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

ক্রমাগত পৃথিবীর উষ্ণায়নের ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলো যে ক্ষতি ও ভোগান্তির মুখে পড়ছে সেই ক্ষতি সামাল দিতে যে অর্থনৈতিক সহায়তা দরকার, উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে তা পাবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে যে বিবাদ চলছিল, তাও সমাধানের দিকে অনেকটাই এগিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তৈরি হওয়া সংকট নিরসনে অর্থনৈতিক সমাধান কি করে হবে সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট অঙ্গীকার না থাকায় অসন্তুষ্টি আর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে পরিবেশবাদী জোট গ্রিন গ্রুপ।

বলা হচ্ছে, ২০১৫ সালের চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার আগে আগে আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সমাধান হতে হবে।

পরিকল্পনাগুলোর অর্থায়ন কি ভাবে হবে, গরীব বা উন্নয়নশীল দেশের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা কি রকম হবে—এই বিষয়ক যাবতীয় কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে হবে ২০১৫ সালের আগেই। যদি এগুলো সমাধান করা না যায় তাহলে ২০১৫ এর যে সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে, তা রক্ষা করা যাবে না।

ইইউ এর ক্লাইমেট কমিশনার কনি হেডেগার্ড মনে করছেন, এসব সম্পন্ন করতে শুধু উন্নতদেশগুলোই নয়, পৃথিবীর সকল দেশকেই স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসতে হবে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে।

কনি হেডেগার্ড বলছেন, জলবায়ু সমস্যা নিরসনের জন্য সকলের অবদান প্রয়োজন। ওয়ারশ সম্মেলন শেষে প্রত্যেকেই নিজের দেশে ফেরত গিয়ে কর্মপরিকল্পনা করতে হবে এবং উদ্যোগী হয়ে বিশ্ববাসীকে জানাতে হবে যে, কে কি অবদান রাখতে প্রস্তুত।

তিনি মনে করেন, জলবায়ু সমস্যা সমাধানে চাই সমন্বিত উদ্যোগ আর সেই উদ্যোগ নেবার জন্যই সকল দেশ ওয়ারশতে ঐকমত্যে পৌঁছেছে।

এবারের জলবায়ু সম্মেলনে আমেরিকার মত উন্নত ও ধনী দেশগুলোসহ ভারত ও চীনের মতো ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে ওঠা দেশগুলোর আচরণ নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


মন্তব্য করুন