Azizul Bashar
পুষ্টি ও খাদ্যাভ্যাস

সোমবার | ২০ আগস্ট, ২০১৮ | ৫ ভাদ্র, ১৪২৫ | ৮ জিলহজ্জ, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » স্বাস্থ্য » পুষ্টি ও খাদ্যাভ্যাস » খাদ্যবাহিত রোগ সম্পর্কিত তথ্য

খাদ্যবাহিত রোগ সম্পর্কিত তথ্য

খাদ্যবাহিত রোগ সম্পর্কিত তথ্য

জীবন ধারণে অক্সিজেনের মতোই খাদ্যগ্রহণ অপরিহার্য। কিন্তু এক্ষেত্রে খাবার কতটা বিশুদ্ধ ও স্বাস্থ্যকর এটাও বিবেচ্য বিষয়। কিছু খাবার আছে যেগুলো স্বাস্থ্যসম্মত তো নয়ই বরং শরীর-স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এগুলো খাদ্যবাহিত রোগ-ব্যাধি ডেকে আনে। ‘সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)’-এর মতে, প্রতি বছর ৬ জন আমেরিকানের মধ্যে একজন দূষিত খাবারের কারণে রোগাক্রান্ত হয়। আমাদের দেশের ক্ষেত্রেও এ চিত্র আলাদা নয়। খাদ্যবাহিত রোগের জন্য যে জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়াগুলো দায়ী সেগুলো হলো ই.কোলি, ক্যাম্পাইলোব্যাকটার, লিস্টেরিয়া, ভিব্রিও ইত্যাদি।

ই.কোলি ব্যাকটেরিয়ার কারণে ডায়রিয়া, কিডনি বিকল এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। সাধারণত অর্ধসিদ্ধ গরুর মাংস, কাঁচা দুধ ও জুস, দূষিত পানি ইত্যাদিতে এই ব্যাকটেরিয়া অবস্থান করে। এটি প্রতিরোধে মাংস ভালোমতো সিদ্ধ করে রান্না করতে হবে এবং ফল বা সবজি ভালো করে ধুয়ে খেতে হবে। দুধ বা পানি ভালোভাবে ফুটিয়ে খাওয়া উচিত।

ক্যাম্পাইলোব্যাকটার ব্যাকটেরিয়ার কারণে ডায়েরিয়া, খিঁচুনি, পরিপাকতন্ত্রে ব্যথা ও শরীরে ভীষণ জ্বর হতে পারে। শুধু তাই নয়, এর কারণে ডায়রিয়ার সঙ্গে রক্ত বের হতে পারে এমনকি বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে। সাধারণত মুরগি ও গরুর মাংসে এই ব্যাকটেরিয়া অবস্থান করে। এক্ষেত্রেও পরিত্রাণ পেতে ওপরে বর্ণিত নিয়ম মেনে চলতে হবে। এছাড়া ভিব্রিও ব্যাকটেরিয়ার কারণে কলেরা এবং লিস্টেরিয়ার মাধ্যমে ভয়ঙ্কর মাথাব্যথা ও জ্বর হতে পারে।

তাই প্রতিকার যতটা জরুরি, প্রতিরোধ ততোধিক গুরুত্বপূর্ণ। দূষিত খাবার বর্জন বা পরিশুদ্ধ করে রোগ প্রতিরোধ করতে হবে।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


মন্তব্য করুন