অন্যান্য

মঙ্গলবার | ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ১০ আশ্বিন, ১৪২৫ | ১৪ মহররম, ১৪৪০

প্রচ্ছদ » খবর » অন্যান্য » ‘বাইর নইলে ঘরের খরচ চালায়ুম কেন গরি?’

‘বাইর নইলে ঘরের খরচ চালায়ুম কেন গরি?’

‘বাইর নইলে ঘরের খরচ চালায়ুম কেন গরি?’

“হরতালের গাড়ি নিয়ে বের হইয়াছে? ভয় লাগছে না? ভয় আছে।” কথা হয় চকরিয়া শহরের এক ব্যাটারী চালিত টমটমের চালক মহিউদ্দিনের সঙ্গে। ‘হরতালের আতংক নিয়ে সকালে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি। হরতাল যারা দিতেছে তারা তো আমার বউ-পোলাপাইনেরে খাওয়াইব না।’ পর পর হরতাল আর সড়কে নাশকতা। সবার মত সেও যেন বিরক্ত বোধ করছে। মালিককে ভাড়া বাবদ ৪০০ টাকা, চার্জ বিল ১৭০ টাকা অন্যান্য খরচ নিয়ে কমপক্ষে ৯০০ টাকা থেকে ১১০০ টাকা আয় না করলে সংসার চলা সম্ভব না।

অতির্কিত ককটেল নিক্ষেপ, অগ্নি সংযোগ, পুলিশের টিয়ারশেল ও অবরোধকারীদের অতির্কিত হামলার ভয়ে গাড়ি নিয়ে বের হতেই যেন বুকে একটা ছাপ চলে আসে। কি আর করব পেটের তাগিদে বের হতেই হবে। গতকাল দুপুরে গালর্স হাইস্কুল রোর্ডের ওসান সিটি মার্কেটের ভিতর চায়ের দোকানে চা খাচ্ছিলেন ট্রলি চালক আবু বক্কর। হরতাল তাই ভাড়া একটু ভেড়েছে, কিন্তু তারও কোন নিশ্চয়তা নেই। সরেজমিনে গতকাল পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, মানুষের মনে নানা আতংক ও উদ্বেগ।

প্রতিদিনের মত রাস্তায় দূরপাল্লার বাস, টেক্সিসহ যানবাহন নেই। তবে টমটম ও রিক্সার সংখ্যা প্রচুর আনাগোনা চলছে। বিভিন্ন দোকান পাটও বন্ধ আছে। তবে গুটি কয়েক যা খোলা রয়েছে তা আবার আংশিক বন্ধ অবস্থায় খোলা।

বেলা আড়াই টার দিকে থানার রাস্তার মাথার মোড়ে দেখা হয় এক পরিচিতি ব্যাবসায়ীর সাথে। তিনি জানান, বিপদ আপদ হলে ঝটপট দোকান বন্ধের প্রস্তুতি হিসেবে একটি শাটার খোলা রাখা হয়েছে। সারা মাস জুড়ে বিরোধীদলের অবরোধ, হরতালের কারণে টানা হরতালের কারণে বেচাকেনা অনেকটা কম। তার পরও কর্মচারীর বেতন, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল দিতে মাস শেষে হিমশিম খেতে হচ্ছে আমাকে। এছাড়া অন্য কোন আয় নেই। তবে কাঁচা বাজারের সবজি ও ফলের দোকানে ভিড় ছিল দেখার মত।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


মন্তব্য করুন