21 Feb 2018
প্রধান খবর

রবিবার | ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ | ৬ ফাল্গুন, ১৪২৪ | ১ জমাদিউস-সানি, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » প্রধান খবর » রাষ্ট্রক্ষমতা ভোগের বিষয় নয়, এটি সেবার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রক্ষমতা ভোগের বিষয় নয়, এটি সেবার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রক্ষমতা ভোগের বিষয় নয়, এটি সেবার বিষয়: প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রক্ষমতা ভোগের বিষয় নয়। এটি সেবার বিষয়। আমার কাছে মনে হয়েছে আমি জনগণের সেবার সুযোগ পেয়েছি। তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। জনগণ যাতে আর্থ-সামাজিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে সেটি আমরা চাই।

মাদকদ্রব্য সমাজ ও দেশের শত্রু। মাদকাসক্তি সমাজকে ধ্বংস করছে। মাদক কোথা থেকে আসে, কারা ব্যবসা করে। জঙ্গিবাদের মতো মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে।

মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিবাদ নির্মূলে পুলিশবাহিনী দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে। জঙ্গিবাদ নির্মূলে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে। জঙ্গিবাদ একটি বিশ্বব্যাপী সমস্যা। আমরা এদেশে তা  দমন ও নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি।

তিনি আরো বলেন, গোয়েন্দা সংস্থ্যাগুলোকে সম্মিলিত ও পরিকল্পিতভাবে তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যমে কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা মানুষ পোড়ার রাজনীতি করে তারা যেন কোন রকম জান মালের ক্ষতি না করতে পারে তার জন্য পুলিশ বাহিনীকে সজাগ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, পুলিশ সদস্য যেভাবে নিয়োগ করা হয়, সেভাবে অফিসারও নিয়োগ করা হবে। না হলে লিডারশীপ আসবে কোথা থেকে।

তিনি আরো বলেন, পুলিশ বাহিনীকে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে জনগণকে সহায়তা করতে হবে।

পুলিশ বাহিনীর উন্নয়ন নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আগে পুলিশের বাজেট ছিল ৪০০ কোটি টাকা। আমরা ক্ষমতায় এসে সেটি সর্বপ্রথম ৮০০ কোটি টাকা করেছি। রেশন ২০ থেকে ৪০ ভাগ করেছি, পরে ১০০ ভাগ করে দিয়েছি। পুলিশের জন্য ঝুঁকিভাতা, টিফিনভাতা, কল্যাণভাতার ফান্ডও আমি করে দিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আগে রাজারবাগে কয়েকটা টিনের শেড ছিল। ডিউটি করে এসে পুলিশ সদস্যরা যে ঘুমাবে সে উপায়ও ছিল না। আমিই মাল্টি স্টোর ভবন করে দিয়েছি। পুলিশের সংখ্যা বাড়িয়েছি, লোকবলও বাড়াচ্ছি।

হলি আর্টিজান হামলা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হলি আর্টিজান হামলার কথা সবার মনে আছে। তখন রোজার দিন ছিলো। সেহেরির সময় আমি সবাইকে নিয়ে মিটিং করি। কিভাবে অপারেশন হবে, কে কোথায় থাকবেন। এগুলো নিয়ে গণভবনে বসে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করি।’

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, ‘এরকম আরো কোনো তথ্য পেলে সবাই অলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেখা যায় অনেকে ক্রেডিট নিতে গিয়ে একা একা কাজ করতে যেয়ে নিজের জীবন দিতে হয়। কাজেই এই চিন্তাভাবনাটা কিন্তু ঠিক না।’

অপরাধ মূলক কোনো কাজ করলে বা জড়িত থাকলে এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ার করে বলেন, ‘কোনো নৃশংসতা গ্রহণ করা হবে না। যদি কেউ নৃশংস কর্মকাণ্ড চালায় বা তার সঙ্গে জড়িত থাকে তাদেরকে কঠোরভাবে দমন করা হবে।’

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য করুন