অর্থনীতি

সোমবার | ২৩ জুলাই, ২০১৮ | ৮ শ্রাবণ, ১৪২৫ | ৯ জিলক্বদ, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » অর্থ ও বাণিজ্য » অর্থনীতি » দিনাজপুরে চালের বাজার আবারো উর্ধগামী : সাধারন মানুষ দিশেহারা

দিনাজপুরে চালের বাজার আবারো উর্ধগামী : সাধারন মানুষ দিশেহারা

দিনাজপুরে চালের বাজার আবারো উর্ধগামী : সাধারন মানুষ দিশেহারা

দিনাজপুরে চালের বাজার আবারো উর্ধগামী। হঠাৎ করে চালের বাজার উর্ধ্বগামী হওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিন্মবিত্ত মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। খাদ্য বিভাগের পোয়া বারো। গরীব মানুষের জন্য দেয়া সরকারী খোলা বাজারের চাল সিংহ ভাগ মানুষের ভাগ্যে জুটছে না। ১০ টাকা কেজির  চাল খাওয়ানো হলে অনেকের কাছে স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।

কিন্তু খাদ্য বিভাগের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারনে ডিলাররা ১০ টাকার চাল সাধারন মানুষ না পেলেও তা কালো বাজারে বিক্রি করছে । মোটা অংকের মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছে খাদ্য বিভাগ।  ফলে সাধারন মানুষ ১০ টাকা কেজি চাল পাচ্ছে না । বোরো ধানের চাল আসার মুহুর্তে এই চালের দাম বৃদ্ধি কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারসাজি এবং খাদ্য বিভাগের অনিয়ম ও দুর্নিিত বলে অনেকে অভিযোগ করেন্ । এই মুহুর্তে  চালের মূল্যে উর্ধ্বগামী কেন ? এ প্রশ্নের উত্তরে ভিন্ন মতামত পাওয়া গেছে। অনেকে ববলছে অসাধূ ব্যবসায়ী আর কেউ বলছে খাদ্য বিভাগের দুর্নীতি দায়ী।

দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে খোলা বাজারে চালের দোকানে সরজমিন পরিদর্শন করে দেখা গেছে, গত শনিবার সিদ্ধ কাঠারী ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। মিনিকেট ৬০ টাকা, বিআর ২৮ চাল ৫২ টাকা থেকে ৫৬ টাকা, ইরি-বারো ৩৫ টাকা, পাইজাম ৪৬ থেকে ৫০  টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও কাঠারী আতব ৮০ থেকে ৯০ টাকা, জিরা কাঠারি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। দিনাজপুর ্রন,্ও ম্রর্কটের একজন চাল ব্যবসায়ী জানান, গ্রামাহ্চলে ১০ টাকা দওে সরকারী চাল যথাযথ ভাবে বিক্রি হচ্ছে না। এই চাল সাধারন মানুষ সঠিক ভাবে পেলে দও বাড়তো না। এছাড়া ভারত থেকে আমদানী করা চাল দিনাজপুরের মানুষ খেতে চায় না। বোরো ধানের চাল নামতেও বেশ দেরী আছে। ফলে চালের দাম কেজি প্রতি ৩ থেকে ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বোরো ধানের চাল বাজাওে আসলে এই দাম থাকবে না। কিছু দিন এই দামটা থাকবে। এছাড়াও শহওে ওএম এস এর চাল বিক্রি হচ্ছে না।   ওএমএস চাল বাজাওে তাকলে চালের দামটা এতো বৃদ্ধি পেতো না। মিলাররাও কিছুটা সুযোগ নিচ্ছে বোরো আসা পর্যন্ত। রমজান মাস আসছে অনেক মিলার চাল মজুদ করেছে। সুযোগ বুঝে এসব মজুতদার চালের দাম আরো বৃদ্ধি কওে অধিক মুনাফা লুটবে। । নাম না প্রকাশ করা শর্তে একজন আড়ৎদার জানান,এদশের স্কায়ার, প্রাণসহ বিভিন্ন কোম্পানী চিলি গুড়া, মিনিকেট, কাঠারী, পাইজামসহ বিভিন্ন সুগন্ধী ও ভাতের চালের ধান উচ্চ মূল্যে ক্রয় করে গুদামজাত করছে।  বিভিন্ন খাদ্য ও প্যাকেটজাত করে বিক্রয় করছে। এঅবস্থায় কৃষকরা চিকন ধানের অতিরিক্ত দাম পাচ্ছে। ফলে মোটা ধান উৎপাদনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। এঅবস্থায় গতবছর ইরি, বোর, হাইব্রিড অর্থাৎ মোটা চালের ৫০ কেজির বস্তা ১০০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকায় দাড়িয়েছে। অর্থাৎ কেজি প্রতি ১১৩ থেকে ১৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


মন্তব্য করুন