Azizul Bashar
প্রধান খবর

শনিবার | ১৮ আগস্ট, ২০১৮ | ৩ ভাদ্র, ১৪২৫ | ৬ জিলহজ্জ, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » প্রধান খবর » স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চল, চরাঞ্চল ও দ্বীপাঞ্চলে খুব সহজেই ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে পারবো

স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চল, চরাঞ্চল ও দ্বীপাঞ্চলে খুব সহজেই ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে পারবো

স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চল, চরাঞ্চল ও দ্বীপাঞ্চলে খুব সহজেই ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে পারবো

সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে আজ আমরা ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছি। এখন স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল, যেখানে এখনো ইন্টারনেট পৌঁছায়নি, পার্বত্য অঞ্চলে থেকে শুরু হয়ে চরাঞ্চল ও দ্বীপাঞ্চলেও খুব সহজেই ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে পারবো। টেকনোলজির সঙ্গে সঙ্গে আমরা চিকিৎসা সেবাও এগিয়ে নিতে চাই। ইতোমধ্যেই আমরা টেলিমেডিসিনের ব্যবস্থা করতে পেরেছি। এখন পর্যায়ক্রমে সারাদেশেই আমরা সেটি করতে পারবো। সেবার এই সুযোগটি আরও উন্নতমানের হবে।

আজ শনিবার রাজধানীর মুগদায় ‘জাতীয় নার্সিং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এবং ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ এখন মাহাকাশে অবস্থান করছে। দেশের জনগণ নৌকায় ভোট দিয়েছিল বলেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে দেশের উন্নয়নে ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আর এই কাজের ফলেই আজ আমরা বাংলাদেশকে মহাকাশ পর্যন্ত নিয়ে যেতে পেরেছি।

দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ কাজ করছে উল্লেখ করে এসময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশ যাতে এগিয়ে যেতে পারে, সে উদ্দেশ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে শুধু যে বিনোদন হবে তা না, সার্বিকভাবেই আমাদের কাজে লাগবে। এটা ব্যবহার করে আমরা শিক্ষা, বিনোদন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কাজে লাগাতে পারবো। শুধুমাত্র আমাদের দেশই নয়, আমাদের আশেপাশের বিভিন্ন দেশে ভাড়া দিয়েও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবো।’

শেখ হাসিনা বলেন, আমি যখন কোরিয়া সফর করি, তখন কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাংলাদেশের নার্সিং সেবা উন্নয়নের বিষয়ে আমার আলোচনা হয়। এরপর কোরিয়া সরকারে সহায়তায় জাতীয় নার্সিং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে।

নার্সদের পদ দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করেছি উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, একই সঙ্গে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম নার্সিং শিক্ষায় ডিপ্লোমার সাথে সাথে উচ্চতর শিক্ষাও দেওয়া যায়। আমাদের সাতটা নার্সিং ইনস্টিটিউটকে কলেজে রূপান্তর করেছি।

প্রধানমন্ত্রী ডাক্তার ও নার্সদের উদ্দেশ্য করে বলেন, অনেক সময় ওষুধের চেয়ে হাসিমুখে কথা বললে, ভালো ব্যবহার করলে রোগী অর্ধেকটা সুস্থ হয়ে যায়। যদিও আমরা জানি আমাদের দেশে লোকসংখ্যা অনেক, ডাক্তারদের উপরেও অনেক চাপ।

এ ছাড়াও হাসপাতালগুলোতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের হাসপাতালগুলোতে যদি কোনো অ্যাম্বুলেন্সের একটি চাকা নষ্ট হয়ে যায় তাহলে সেই চাকা মেরামতের টাকা তুলতে গিয়ে বাকি চাকাগুলো নষ্ট হয়। এ ব্যাপারে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, এ ব্যাপারটার সমাধানে আপনারা যদি কোনো সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেন, তাহলে একটা ব্যবস্থা করে দিতে পারি।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


মন্তব্য করুন