Azizul Bashar
বাংলাদেশ-ওয়েষ্টইন্ডিজ সিরিজ

সোমবার | ২০ আগস্ট, ২০১৮ | ৫ ভাদ্র, ১৪২৫ | ৮ জিলহজ্জ, ১৪৩৯

প্রচ্ছদ » বাংলাদেশ-ওয়েষ্টইন্ডিজ সিরিজ » সিরিজ জয়ের লড়াইয়ে বাংলাদেশর সংগ্রহ ১৮৪ রান

সিরিজ জয়ের লড়াইয়ে বাংলাদেশর সংগ্রহ ১৮৪ রান

সিরিজ জয়ের লড়াইয়ে বাংলাদেশর সংগ্রহ ১৮৪ রান

তামিম ইকবালকে নিয়ে লিটন দাসের দুর্দান্ত শুরুটাই বাংলাদেশকে এনে দিলো শক্ত অবস্থানের ভিত। তাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ১৮৪ রানের দারুণ এক স্কোর করেছে তারা।

ফ্লোরিডায় দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির ম্যাচসেরা তামিম ইকবাল এদিন জ্বলে উঠতে পারেননি। তবে দুর্দান্ত সূচনায় লিটন দাসের সঙ্গী ছিলেন তিনি। দুই ওপেনারের ব্যাটে দ্রুততম ফিফটি পায় বাংলাদেশ। লিটনও করেন হাফসেঞ্চুরি। বাংলাদেশকে শক্ত অবস্থানে রেখে বিদায় নেন এই ওপেনার।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ দারুণ শুরু করে। প্রথম বলেই লিটন মারেন বাউন্ডারি, প্রথম ওভারে আসে ৮ রান। দ্বিতীয় ওভারে এই বাংলাদেশি ওপেনার দুটি ছয় ও একটি চারে যোগ করেন ১৭ রান। চার-ছয়ের মার ছিল তামিমের ব্যাটেও। দুজন সমানতালে ক্যারিবিয়ান বোলারদের ওপর চড়াও হয়েছেন। মাত্র ৩.৪ ওভারে দল ৫০ রানের ঘরে পৌঁছায়। বাংলাদেশের জন্য এটি ছিল দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠা এ জুটি ভাঙেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে তামিমকে কেসরিক উইলিয়ামসের ক্যাচ বানান তিনি। ১৩ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ২১ রানে আউট হন বাঁহাতি ওপেনার। মাত্র ৩০ বলে ৬১ রানের ঝড়ো জুটি ভাঙে তামিমের বিদায়ে।

দারুণ শুরুর পরও সৌম্য সরকার চাপমুক্ত হয়ে খেলতে পারেননি। পরের ওভারে কিমো পলের বলে রভম্যান পাওয়েলের ক্যাচ হন উঁচু শট খেলে। ৪ বলে ৫ রান করেন তিনি। প্রথম পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ২ উইকেটে ৭১ রান করে বাংলাদেশ।

আগের ১৪ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করা লিটন অষ্টম ওভারে পেয়ে যান প্রথম ফিফটি। ২৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ে হাফসেঞ্চুরি করেন এই ওপেনার। মুশফিকুর রহিম তার সঙ্গে ৩১ রানের জুটি গড়ে ফিরে গেছেন ব্র্যাথওয়েটের বলে। ১৪ বলে ১২ রান করে পেছনে দিনেশ রামদিনের হাতে বল তুলে দেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। পরের ওভারে উইলিয়ামসের বলে অ্যাশলে নার্সের কাছে ক্যাচ হন লিটন। মাত্র ৩২ বলে ৬ চার ও ৩ ছয়ে ৬১ রান করেন তিনি।

লিটন বিদায় নেওয়ার পর মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে সাকিব আল হাসান গড়েন ৪৪ রানের জুটি। গত ম্যাচের মতো স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাটিং করেননি অধিনায়ক। ২২ বলে ২৪ রানে পলের শিকার হন তিনি নার্সকে ক্যাচ দিয়ে।

তারপর আরিফুল হককে নিয়ে অপরাজিত ৩৮ রানের জুটি গড়ে মাঠ ছাড়েন মাহমুদউল্লাহ। ২০ বলে ৪টি চার ও ১ ছয়ে ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ১৮ রানে খেলছিলেন আরিফুল।

 

বিসিসি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


মন্তব্য করুন